Chunati Govt. Mohila College

চুনতি সরকারি মহিলা কলেজ-এ স্বাগতম!

Sun, 26, May, 2019
সোমবার, ১৩ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ

চুনতি সরকারি মহিলা কলেজ

চুনতি সরকারি মহিলা কলেজ

পশ্চাৎপদ নারী জাতিকে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে ও আত্ননির্ভর নারী সমাজে রুপান্তরিত করে শিক্ষিত মা উপহার দেওয়া প্রত্যয়ে শিক্ষিত উৎপাদন মুখী মানব সম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমে জাতির উন্নতি ও অগ্রগতি সাধনের প্রত্যয়

বিছমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

সংক্ষিপ্ত বর্ণনা :

কর্ণফুলীনদীর দক্ষিণ পার্শ্বে কক্সবাজার ও বান্দরবানের সীমানা পর্যন্ত নারী শিক্ষার আলাদা কোন প্রতিষ্ঠান নেই। তাই দক্ষিন চট্টগ্রামের পশ্চাৎপদ নারী জাতিকে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে ও আত্ননির্ভর নারী সমাজে রুপান্তরিত করে শিক্ষিত মা উপহার দেওয়া প্রত্যয়ে শিক্ষিত উৎপাদন মুখী মানব সম্পদ সৃষ্টির মাধ্যমে জাতির উন্নতি ও অগ্রগতি সাধনের প্রত্যয় ঘোষণা করছি। শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড। শিক্ষা ছাড়া কোন জাতি উন্নতি করতে পারেনা। একথা বিবেচনা করে চুনতি মহিলা ডিগ্রি কলেজ প্রতিষ্ঠা করা হয়। প্রতিষ্ঠাকাল : ১১/০৫/১৯৮৯ ইংরেজী।

ইতিহাস:

দেশ ও জাতী গঠনে নারী শিক্ষার গুরুত্বের কথা বিবেচনা করে যুগে রচাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৮৯ইং সনে চুনতি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। বলা বাহুল্য, চট্টগ্রাম দক্ষিণ-জেলা, কক্সবাজার ও বান্দরবান পার্বত্য জেলায় এ কলেজই সর্বপ্রথম প্রতিষ্ঠিত বেসরকারী মহিলা ডিগ্রি কলেজ (আবাসিক)। উপরোক্ত তিন জেলার মিলনস্থল লোহাগাড়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী চুনতি গ্রামে কলেজটি অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যমন্ডিত মনোরম টিলা পাহাড়ের উপর কলেজ ভবনসমূহ স্থাপিত। প্রয়োজনীয় শ্রেণী কক্ষ ছাড়া ও কলেজের আছে সুসজ্জিত অফিস, সুপরিসর মিলনায়তন, কমনরুম, সমৃদ্ধ পাঠাগার, কম্পিউটার ল্যাব, সুরক্ষিত ছাত্রীনিবাস, বাগান, ডরমিটরী, স্টাফকোয়াটার ইত্যাদি। ট্রেনিং ও খেলাধুলার মাঠ ছাড়াও চর্তুরদিকে রয়েছে ফলজ ও বনজ বাগান এবং উন্নত যাতায়াত ব্যবস্থা। গার্লসগাইড, সঙ্গীত শিক্ষা, EXTRA CURRICULAR ACTIVITY ইত্যাদি প্রতিভা বিকাশমূলক কার্যক্রমের উপর দেয়া হয় আলাদা গুরুত্ব। মূলত : এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিবর্গ, আপামর জনসাধারণ এবং বাইরের মহৎপ্রাণ নি:স্বার্থ ব্যক্তিবর্গের দান ও ত্যাগের বিনিময়ে এ কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। চুনতির কৃতি সন্তান জনাবদীন মুহাম্মদ মানিক প্রতিষ্ঠাতা অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। উদ্যোক্তা হিসেবে তাঁকে সহযোগিতা প্রদানকারীগণের মধ্যে জনাব আহমেদ ফরিদ(সচিব), ড. সুলতান হাফিজ, আমিন আহমদখান, মঈনুল ইসলাম চৌধুরী, বদিউল আলম খান, ইলিয়াছ মিয়া(সিইউপি), আহমদ সাঈদ, মিয়া মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন(মেজর জেনারেল) , সফদর আহমদ খান, আবুল কাসেম চৌধুরী, ডা. শফি, আবদুল বাসেত (উপসচিব), নূরুল আবচার, মাহফুজুল হক, নুরূল হুদা, এমরান হোসেন, অধ্যাপক শফিক, এরশাদুল্লাখান, মুহাম্মদ হাসান প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য। এছাড়া উল্লেখযোগ্য দাতা ও অর্থ যোগানদানকারী হিসেবে জনাব ডা. আমানে আলম খান (সাবেক সভাপতি জিবি), নূরুল আমিন চৌধুরী, রসিদুল্লা খান, পথিকৃৎ(এনজিও), চুনতি আঞ্জুমান-ই-নওজোয়ান, ফ্রেন্ডস অব বাংলাদেশ(লন্ডন), মনজুর মোরশেদ খান (সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী), ড. শফিক খান, নজমূল হুদা, সিরাজুলহক খান, মোহাম্মদ ইসমাঈল মানিক, আলী আজম খান, এডভোকেট মুহাম্মদ ইলিয়াছ, কামাল আহমদ, ইসলাম সাহেব (চেয়ারম্যান, ফ্লোরা), হাজী বসির (চেয়ারম্যান, আজিজকোং), ইসলাম খান (খান ফাউন্ডেশন), সুরাইয়া জান্নাৎ, শাহ আলম বাদল, WFP, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ প্রমূখের নাম স্মরণীয়। কলেজের জন্য ভূমিদান করেন দীন মুহাম্মদ মানিক (১.২০একর) এবং আমিন আহমদ খান((০.৬০একর)। কলেজের ভিক্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন তৎকালীন উপজেলা চেয়ারম্যান মুস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী। প্রতিষ্ঠা বছরেই (১৯৮৯ইং) একাডেমিক স্বীকৃতি প্রদানে অবদান রাখেন তৎকালীন কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড.মুবারক আলী আকন্দ্। ১৯৯৩ইং সনে এ কলেজ সরকারি এমপিওভুক্ত হয়। ১৯৯৮ ইং সনে চুনতি মহিলা কলেজ ডিগ্রিপর্যায়ে উন্নীত হয়। কলেজের ছাত্রী সংখ্যা বছর বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমানে কলেজে অধ্যক্ষ পদে আছেন মুহাম্মদ আবু নঈম আজাদ। ২০১৫ সালের ০৮ এপ্রিল মেজর মিয়া মুহাম্মদ জয়নুল আবেদীন বীর বিক্রম, পিএসসি এর সার্বিক সহযোগিতায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চুনতি মহিলা ডিগ্রি কলেজকে সরকারিকরণের আদেশ প্রদান করেন। বিগত ৮ আগস্ট ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয় কর্তৃক সরকারিকরণের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
Close Menu